প্রকাশ: শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৫, ৩:৩১ পিএম (ভিজিটর : )
ডিম নানাভাবে খাওয়া যায়। তবে সেদ্ধ ডিম খাওয়াই সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর- এমনটা বলেন বিশেষজ্ঞরা। বেশিরভাগ বাসাতেই তাই ডিম সেদ্ধ হয়। সেদ্ধ ডিম উঠিয়ে নেওয়ার পর পানি ফেলে দেই আমরা। কিন্তু আপনি কি জানেন এই পানিরও অনেক গুণ রয়েছে? সেদ্ধ করার সময় ডিমের খোসা এবং ডিমের সাদা অংশ থেকে বের হওয়া পুষ্টি যেমন ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম এবং অল্প পরিমাণে ফসফরাস এবং আয়রন মিশে যায় পানিতে। এই পানি ফেলে না দিয়ে নানাভাবে কাজে লাগাতে পারেন তাই।
১। সার হিসেবে
ডিম ফুটানোর পানিতে প্রচুর পরিমাণে খনিজ পদার্থ থাকে, যার মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাসিয়াম। এগুলো উদ্ভিদের জন্য উপকারী। পানি ঠান্ডা হতে দিন প্রথমে। এরপর এই পানি দিন গাছের গোড়ায়। মাটির গুণমান উন্নত করবে সেদ্ধ ডিমের পানি। পানিতে থাকা ক্যালসিয়াম শিকড়ের বিকাশে সহায়তা করে, অন্যদিকে ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরোফিল উৎপাদন বাড়ায় যা গাছকে সবুজ এবং আরও প্রাণবন্ত করে
২। চুলের যত্নে
ডিম সেদ্ধ করার পর পানি ব্যবহার করতে পারেন চুলের যত্নে। এই পানিতে থাকা খনিজ পদার্থ চুলের গোড়া মজবুত করে, খুশকি কমায় এবং চুল ঝলমলে করে। পানি ঠান্ডা করে শ্যাম্পু শেষে চুল ধোয়ার পর ধুয়ে নিন। এটি শুষ্ক বা ক্ষতিগ্রস্ত চুলের জন্য দারুণ।
৩। গৃহস্থালি পরিচ্ছন্নতায়
উদ্ভিদ এবং চুলের জন্য উপকারী একই খনিজ পরিচ্ছন্নতার কাজেও বেশ উপকারী। ডিম সেদ্ধ করার পানির ক্ষারীয় প্রকৃতি তেল চিটচিটে ভাব ও ময়লা দূর করে রান্নাঘরের। চুলার উপরের অংশ পরিষ্কার করতে কাজে লাগাতে পারেন এই পানি।
৪। সার তৈরিতে
সেদ্ধ ডিমের পানি সার তৈরির প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে পারে। এর খনিজ পদার্থ জৈব উপাদানকে দ্রুত ভেঙে ফেলতে সাহায্য করে। ঠান্ডা ডিমের পানি কম্পোস্ট বিনে ঢেলে দিলে উপকারী জীবাণু বৃদ্ধি পায়। ফলে খাবারের টুকরো এবং জৈব বর্জ্য ভেঙে পুষ্টিকর সমৃদ্ধ সার তৈরি করে। এটি কিছুটা অতিরিক্ত আর্দ্রতাও যোগ করে, যা কম্পোস্ট তৈরির প্রক্রিয়ার জন্য অত্যাবশ্যক।