প্রকাশ: শনিবার, ৮ মার্চ, ২০২৫, ১১:২০ এএম (ভিজিটর : )
রোজার মাসে খাওয়া ও ঘুমের বেশ রদবদল ঘটে। এই সময় সচেতন না থাকলে তাই শারীরিক জটিলতার ঝুঁকি বাড়ে। এছাড়া ইফতারে উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত খাবার খাওয়া, কম শারীরিক পরিশ্রম করার কারণেও গ্যাস্ট্রিক, কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা বাড়ে। রোজা রেখে সুস্থ থাকতে চাইলে কিছু বিষয়ের প্রতি মনোযোগ দেওয়া খুবই জরুরি।
সাহরি খাওয়া বাদ দেবেন না। কারণ ইফতার পর্যন্ত সারাদিনের জন্য শক্তি দেবে সাহরির সময় খাওয়া খাবার। সাহরিতে শাকসবজি, শর্করা যেমন পুরো শস্যের চাল বা পুরো গমের রুটি এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যেমন মুরগির মাংস মুরগির মাংস খান।
ইফতারের পর থেকে সাহরি পর্যন্ত সময়ের মধ্যেই আপনাকে সারাদিনের চাহিদা অনুযায়ী পানি খেয়ে ফেলতে হবে। ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি খান এই সময়ে। সঙ্গে রাখবেন পানিজাতীয় খাবার ও ফল। ইফতারে বেশি করে খেতে পারেন শসা ও তরমুজ। এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে। সঙ্গে থাকতে পারে শরবত। তবে অনেকে সাহরি শেষ করে একবারে অনেক পানি খেয়ে ফেলেন। এটা করবেন না। বারবার পরিমিত পরিমাণে খাবেন পানি।
ইফতারে শর্করা গ্রহণ সীমিত করুন। বিশেষ করে মিষ্টি খাবার এবং পানীয় যেমন কেক, মিষ্টি বা কোমল পানীয়। চিনি মেশানো ফলের রস খাওয়াও অনুচিত।
অনেকেই সারাদিন রোজা রেখে ইফতারে খান তেলে ভাজা খাবার। এতে গ্যাস্ট্রিকের মতো সমস্যা বাড়ে। খেজুর, সবজি, স্যুপ রাখতে পারেন ইফতারে। পাশাপাশি খান মাংস ও বিভিন্ন ফল।
ধীরে ধীরে খান। সারাদিন রোজা রেখে ইফতারে তাড়াহুড়া করে অনেক খাবার খাবেন না। ইফতারে অতিরিক্ত খাওয়া গ্যাস্ট্রিক ও অস্বস্তির কারণ হতে পারে।
ইফতারের পর কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করুন।
লবণের পরিমাণ বেশি এমন খাবার এড়িয়ে চলুন। প্রসেসড ফুড এড়িয়ে চলুন রোজায়।